সম্মানিত বন্ধুরা আমাদের প্রায় সকল কম্পিউটার ব্যবহারকারীর কি কোনো না কোনোভাবে ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হয়ে থাকি ভাইরাসের প্রথম যে ভয়ঙ্কর িক হচ্ছে এটা হল ব্যবহারকারীরা নিজেরাই নিজেদের তৈরী করতে পারে সচেতন থাকলে ভাইরাস প্রতিরোধ করা সম্ভব আপনাকে মনে রাখতে হবে প্রতিকার করা থেকে প্রতিরোধ করার সবথেকে উত্তম কম্পিউটারের বিভিন্ন মাধ্যমে ভাইরাস ছড়াতে পারে নির্দিষ্ট কোনো লক্ষণ দারা কম্পিউটার দারা ভাইরাস শনাক্ত করা সম্ভব

প্রিয় বন্ধুরা আপনারা নিশ্চয়ই নিশ্চয়ই জানেন কম্পিউটার যারা ব্যাবহার করেন আপনারা সবাই জানেন যে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় 300 টি নতুন ভাইরাস যুক্ত হচ্ছে সাইবার জগতে প্রতি সেকেন্ডে লক্ষণসমূহ ভাইরাস প্রোগ্রাম ডিজাইনার যে ভাবে চেয়ে থাকেন সেভাবে প্রকাশ পায় তাই অনেক ভাইরাসের কোনো লক্ষণ প্রকাশ করা ছাড়াই ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে কম্পিউটারের ক্ষতি করতে পারে তবে আপনার কম্পিউটার ও স্বাভাবিক চরণ করলে ভাইরাস আক্রান্ত বলে সন্দেহ করা যায় তবে মনে রাখতে হবে প্রতিটি ভাইরাসের আক্রমণ কৌশল অনেকটা ভিন্ন ভিন্ন

ভাইরাস প্রতিরোধ ও ধ্বংস করার জন্য কোম্পানিগুলো বসে থাকেনি তারা বের করে চলেছে একটার পর একটা শক্তিশালী এন্টিভাইরাস সেগুলোর আবার আপডেট ভার্সন বাহির করতেছে তমানে কম্পিউটার ব্যবহারকারীরা তাদের কম্পিউটারে এন্টিভাইরাস ব্যবহার করে থাকেন আর এই এন্টিভাইরাস এন্টিভাইরাস কোম্পানিগুলো সর্বশক্তিমান নয় স্বাভাবিক তাদেরকে ভাইরাস শনাক্ত করতে কিছু কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগ করতে হয় আর এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সকল ক্ষেত্রে আবার সফল নাও হতে পারে

এন্টিভাইরাস ব্যবহার করার পরে অনেক সময় দেখা যায় যে আমাদের কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রান্ত হয় কোন এন্টিভাইরাস চিহ্নিত করতে পারে না তাই যত ভালো এন্টিভাইরাস হোক না কেন তাই বলে একটা কম্পিউটারে একাধিক এন্টিভাইরাস ব্যবহার করাটা বুদ্ধিমানের কাজ নয় এতে আপনার আরেকটি ইরাস মনে করে ধ্বংস করার চেষ্টা করতে থাকবে এবং আপনার কম্পিউটারের গতি কমে যাবে

By admin